Showing posts with label ক্যানসার - জরায়ুর ক্যানসার. Show all posts
Showing posts with label ক্যানসার - জরায়ুর ক্যানসার. Show all posts
জরায়ুর ক্যানসার
আমাদের দেশে নিম্ন আয়ের পরিবারের মহিলারা অপেক্ষাকৃত বেশি আক্রান্ত হয়। তবে ঔষধি প্রতিরোধকের চেয়ে আচরণগত প্রতিরোধকের দিকে বিজ্ঞানীরা বেশি গুরুত্বারোপ করেছেন। যেমন: প্রজননতন্ত্রের পরিচ্ছন্নতা রক্ষা না করলে, দীর্ঘদিন জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি সেবন, বাল্য বিবাহ, অধিক সন্তান প্রসব; ধুমপান করা (এমনকি পরোক্ষ ধূমপানের স্বীকার হওয়া); পানের সাথে জর্দা, সাদা পাতা, দাঁতের গোড়ায় গুল (তামাকের গুঁড়া) রাখা ইত্যাদি কারণে এই ক্যান্সারে আক্রান্তের সম্ভাবনা বাড়ে। আর সুষম খাবার গ্রহণ; দৈনিক তিন-চারবার ফল, শাকসব্জি, তরকারি খাওয়া; পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যসম্মত, সুশৃঙ্খল জীবনযাপন ও সামাজিক অনুশাসন মান্য করা এই রোগ প্রতিরোধে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। এছাড়া যাদের স্বামীরা একাধিক মহিলার সঙ্গে দৈহিক সম্পর্ক রাখেন কিংবা যে মহিলারা একাধিক পুরুষের সঙ্গে দৈহিক সম্পর্কে লিপ্ত তাদের ক্ষেত্রে জরায়ুর মুখের ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে। এর পাশাপাশি নারীর, নিয়মিত পেপস স্মেয়ার টেস্টে অংশ নেওয়া উচিত, তাতে রোগ আগেভাগে সনাক্ত করা সম্ভব হয়। Herpex Simplex Virus type 2 এবং HPV type16, 18, 31,45 শতকরা ৮০ ভাগ ক্ষেত্রে জরায়ুর মুখের ক্যানসার এর জন্য দায়ী। HPV type16 নিজেই এক্ষেত্রে শতকরা ৫০ ভাগ দায়ী। অধিকাংশ মহিলা তাদের জীবদ্দশায় একাধিক বার HPV দ্বারা আক্রান্ত হন। অনেক সময় সংক্রমণের পর ক্যানসারে রূপ নিতে ২ থেকে ২০ বছর সময় লাগে।
Subscribe to:
Posts (Atom)
